এসইও ফ্রেন্ডলী কনটেন্ট এর ৫টি বৈশিষ্ট্য

এসইও ফ্রেন্ডলী কনটেন্ট এর ৫টি বৈশিষ্ট্য

এসইও ফ্রেন্ডলী কনটেন্ট এর ৫টি বৈশিষ্ট্য

গুগল অ্যাডসেন্স, ওয়েবসাইটের এসইও এবং ওয়েবসাইট দ্রুত র‌্যাংক করানোর জন্য এসইও ফ্রেন্ডলী কনটেন্ট অনেক বেশি জরুরী। কনটেন্ট কে সব সময়ই ওয়েবসাইটে আসল এবং মূল উপাদান হিসেবে ধরা হয়।

অনেকেই অনলাই এসইও কাজ করে থাকে আবার কেউ ব্লাগে কাজ করে থাকে।

আমারে কাছ থেকে অনেকেই জানতে চেয়েছেন এসইওতে কিভাবে ফ্রেন্ডলী কনটেন্ট লিখা যায়।

আসলে যারা অনলাইনে কাজ করে তারা সকলেই এই বিষয় টা জানে। কিন্তু যারা নতুন তাদের জন্য আজরেক এই প্রতিবেদন।

এই প্রতিবেদন থেকে আপনি যানতে পারবেন কিভাবে ফ্রেন্ডলী কনটেন্ট লিখা যায় তার কিছু বৈশিষ্ট্য।

আপনার যদি জানার ইচ্ছা থাকে তাহলে এই প্রতিবেদনটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পরুন।

তাহলেই বুজতে পারবেন এসইও তে কিভাবে ফ্রেন্ডলী কনটেন্ট লিখতে হয়।

তাহলে দেরি না করে শুরু করা যায় ফ্রেন্ডলী কনটেন্ট লেখার কয়েকটি বৈশিষ্ট্য।

 

ফ্রেন্ডলী কনটেন্ট এর ৫টি বৈশিষ্ট্য

১. সাব-হেডিং ব্যবহার করা

এসইও অথবা যেকোনো সাইটে কন্টেন্ট লিখতে হলে ছোট খাটো কিছু বিষয় লক্ষ রাখতে হয়।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি বিষয় হলো সাব-হেডিং ব্যবহার। সাব-হেডিং মূলত ব্যবাহর করা হয় লেখার সুন্দর্য বাড়ানোর জন্য।

আর এই সাবহেডিং ব্যবাহর করাই ফ্রেন্ডলী কন্টেন্টের উন্নতম বৈশিষ্ট্য।

কারণ ওয়েবসাইটকে গুগলে রেংক করানোর জন্য প্রয়োজন উন্নতম মানে ফ্রেন্ডলী কন্টেন্ট লেখা।

আর সাব হেডিং ব্যবাহর করলে লেখার সুন্দর্য উন্নত হয়।

তাই আপনি যদি কন্টেন্ট লেখায় নতুন হন তাহলে এই বিষয়টি ব্যবাহর করাতে পারেন।

যদি না বুঝতে পারেন তাহলে আমাদের সাথে যোগযোগ করবেন।

এছাড়াও বোঝার জন্য আপনি ইউটিউবে বিভিন্ন বিডিও দেখতে পারেন।

 

২. শর্ট প্যারাগ্রাফ ব্যবহার করা

সাধারণত আমরা যখন কন্টেন্ট লিখি তখন প্যারা গুলো অনকে বড় বড় হয়।

বড় প্যারাগ্রাফ এর ক্ষেত্রে যে সমস্যাটা হয় সেটি হলো এ ধরনে প্যারা পড়ার আগ্রহ কারো থাকে না।

কারণ প্যারা গুলো পড়তে বরিং লাগে। কোনো ইন্টারইস্টেং থাকে না।

আর যদি শর্ট প্যারা ব্যবহার করেন তাহলে সেই প্যারাগুলো পড়ার আগ্রহ সকলের থাকে।

ফলে আপনার পোস্টটি যখন গুগলে ইন্ডেক্স হবে তখন কেউ যদি আপনার ওয়েবসাইট ভিসিট করে তাহলেে আপনার কন্টেন্ট গুলো পড়ার আগ্রহ তাকবে। আর এভাবে আপনি ফ্রেন্ডলী কনটেন্ট লিখতে পারেন।

>> গুগল অ্যাডসেন্স ছাড়াও অনলাইনে আয় করার ৯টি উপায়

 

৩. ভূমিকা ব্যবহার করা

এসইওতে ফ্রেন্ডলী কনটেন্ট এর আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ভূমিকা ব্যবহার করা।

সকল ক্ষেত্রে ভূমিকা ব্যবহার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ভূমিকা থেকে বোঝা যায় যে আপনি কোন বিষয়ে প্রতিবেদন লিখছেন অথবা ভিসিটর যে বিষয়ে জানতে চাই সে বিষয়টা এখানে আছে কিনা।

এজন্য ভূমিকা ব্যবহার করা খুবই গরুত্বপূর্ণ। কন্টেন্ট লেখার সময় ভূমিকা ব্যবহার করা ফেন্ডলী কন্টেন্ট লেখার উন্নতম একটি বৈশিষ্ট্য।

 

৪. বুলেট পয়েন্ট ব্যবহার করা

অনেক মানুষ আছে যারা শুধু কন্টেন্ট লিখেই যায়। যার ফলে তারা লেখার কোনো ফল পাই না।

তাদের জন্য একটি বিষয় হলো লেখার সময় ছোট খাটো পরিবর্তন করুন। যেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো পয়েন্ট আকারে লিখুন।

সেক্ষেত্রে আপনার লেখার সুন্দর্যটাও বাড়বে তার সাথে সাথে ফ্রেন্ডলী কন্টেন্টও লিখতে পারবেন।

ফ্রেন্ডলী কন্টেন্ট লেখার এটি একটি উন্নতম ও ভালো বৈশিষ্ট্য হতে পারে।

এবাবে অনেক মানুষ কন্টেন্ট লিখে তাদের ওয়েবসাইটকে অনেক দূরে দিয়ে গিয়েছে।

তাই আপনি যদি এমন সফল হতে চান তাহলে এই নিয়মে কন্টেন্ট লিখুন।

 

৫. পর্যাপ্ত কি ওয়ার্ড ব্যবহার করা

এসইওতে সাধারণত পর্যাপ্ত কিওয়ার্ড ব্যবহার করে কন্টেন্ট লিখতে হয়।

পর্যাপ্ত কি ওয়ার্ড চাড়া আপনি কখনো ফ্রেন্ডলী কন্টেন্ট লিখতে পারবেন না।

আর আপনার এসইওতে কন্টেন্ট লিখতে হলে ৫০০ প্লাস ওয়ার্ড প্রয়োজন হয়।

তাই ফ্রেন্ডলী কন্টেন্টের এটি একটি উন্নতম একটি বৈশিষ্ট্য হতে পারে। আপনি চাইলে এই বৈশিষ্ট্যটি ব্যহার করতে পারেন।

কী-ওয়ার্ড হলো একটি কনটেন্ট এর প্রাণ। এর মাধ্যমেই একটা কনটেন্ট গুগলে Rank করে থাকে।

আর কনটেন্টগুলো এমনভাবে সাজানো হয় কী-ওয়ার্ডগুলো মাধ্যমে যেখানে আপনার সাইটের সিপিসি অটোমেটিকভাবেই বেড়ে যায়।

>> ফেইক ফেইসবুক গ্রুপ চেনার ৫টি উপায় জেনে রাখুন

 

কিছু পরামর্শ

এসইওতে ফ্রেন্ডলী কন্টেন্ট এর আরো কিচু বৈশিষ্ট রয়েছে তবে এইগুলো যদি আপনি মানতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনি ফ্রেন্ডলী কন্টেন্ট লিখতে পারবেন।

প্রতিবেদনটি আপনার কোনো উপকারে আসেল আমাদের জানিয়ে দিবেন এবং প্রতিবেদনটি কেমন লেগেছে সেটিও জানিয়ে দিবেন।

 

One Comment on “এসইও ফ্রেন্ডলী কনটেন্ট এর ৫টি বৈশিষ্ট্য”

Leave a Reply

Your email address will not be published.