গুগল অ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করার আগে যা করণীয়

গুগল অ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করার আগে যা করণীয়

গুগল অ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করার আগে যা করণীয় জেনে রাখুন 

অনলাইনে কাজ করার জন্য গুগল অ্যাডসেন্স অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ।

এর মাধ্যমে আপনি মাসিক একটি ভালো আয় করতে পারবেন।

এছাড়াও এসইও করা, ওয়েব সাইট ডিজাইন করাসহ আর অনেক ধরনের কাজ আছে।

অ্যাডসেন্স আবেদন করার আগে নিচের বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখা উচিত সবার। যেমন,

 

১. ব্লগ বা ওয়েবসাইটের বয়স

২. পোস্ট সংখ্যা বা পোস্ট ইনডেক্স সংখ্যা

৩. ভিজিটর সংখ্যা

৪. ইনটারনাল ও আউটগোয়িং লিংক

৫. এসইও করার আছে কিনা

৬. ইউজার ফ্রেন্ডলী থিম

৭. ইউজার ফ্রেন্ডলী কনটেন্ট

উপরের ৭টি বিষয় যদি চেক করে আবেদন করা হয় তাহলে আশা করা যায় অ্যাডসেন্স অপ্রুভাল অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে।

আমি নিচে এই সকল বিষয়গুলো সম্পর্কে সামান্য বর্ননা করার চেষ্টা করছি। আশা করবো বিষয়গুলো সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণা পাবেন।

 

১. ব্লগ বা ওয়েবসাইটের বয়স

অ্যাডসেন্স অপ্রুভালের জন্য আবেদন করার পূর্বে ব্লগের বয়স দেখা টা অনেক জরুলী।

কারণ কম বয়সের ব্লগ গুলোতে অ্যাডসেন্স অপ্রুভাল হয় না।

অ্যাডসেন্স অপ্রুভালের জন্য আবেদন করতে হলে কমপক্ষে ব্লগের বয়স ৫ মাস হওয়া দরকার।

সম্ভব হলে এর থেকে আরো বিশে বয়স হওয়ার পর আবেদন করলে ভালো হয়।

আপনি যদি প্রথম বারের মতো অপ্রুভাল পেতে চান তাহলে আপনাকে কিছু দিন সময় নিয়ে ব্লগের বয়স বাড়িয়ে করা উচিত।

এছাড়াও ব্লগের ভালো ভিজিটর ও উন্নত পোস্ট করার পর আবেদন করলে অপ্রুবাল পাওয়ার সম্ভবনা প্রায় ৯৯% হতে পারে।

তাই আবেদন করার পূর্বে ব্লগের বয়স দেখাটা অনেক জরুলী।

 

২. পোস্ট সংখ্যা বা পোস্ট ইনডেক্স সংখ্যা

অপ্রুভালের আবেদন করা পূর্বে পোস্ট ইন্ডেক্স হওয়ার বিষয়টা দেখা দরকার।

পোস্ট সংখ্যা বা পোস্ট ইনডেক্স সংখ্যার উপর অ্যাডসেন্স অপ্রুভাল নির্ভর করে।

অপ্রুভারের আবেদন করার পূর্বে কমপক্ষে ৩০ টা পোস্ট করা দরকার।

এছাড়াও পোস্ট ইনডেক্স হতে হবে কমপক্ষে ১০ টার মতো।

এই বিষয় মেনে অ্যাডসেন্স অপ্রুভালের আবেদন করলে অবশ্যই অপ্রুভাল পেয়ে যাবেন।

 

৩. ভিজিটর সংখ্যা

গুগল অ্যাডসেন্স আবেদন করার পূর্বে  ভিজিটর এর সংখ্যাটা দেখা দরকার।

ভিজিটর কম হলে অনেক সময় অপ্রুভাল পাওয়া যায় না।

একেবারেই যে পাওয়া যায় না তেমন নয়। তবে আডসেন্স পেতে হলে অনেক দেরি লাগতে পারে।

এছাড়াও আবেদন করার পূর্বে ভিজিটর এর সংখ্যা হওয়া দরকার কমপক্ষে ১০০০ হাজার।

তাই এই বিষয়টা লক্ষ করেই আবেদন করা দরকার।

 

৪. ইনটারনাল ও আউটগোয়িং লিংক

অ্যাডসেন্স আবেদন করার আগে এই বিষটাকে লক্ষ করা দরকার।

প্রত্যেকটি পোস্টে ২ থেকে ৩টি এমন লিংক থাকা দরকার।

তবে বেশি থাকলে অনেক সময় সমস্যা হতে পারে।

এজন্য ২ থেকে ৩টি এমন ধরনের লিংক দেওয়া দরকার।

তাহলে অবশ্যই আপনি অ্যাডসেন্স পেয়ে যাবে আশা করা যায়।

 

৫. এসইও করার আছে কিনা

সবচেয়ে গুরুত্ব পূর্ণ যে বিষয়টা লক্ষ করা যায় সেটি হলো এসইও করা আছে কিনা।

এটি করা না থাকলে অবশ্যই করে নিবে তা না হলে অপ্রুভাল পাবেন না।

এসইও বলতে বোঝানো হয়েছে গুগলের সাথে আপনার ব্লগের সম্পর্ক করা।

অর্থাৎ ইন্টারনাল এবং আটগোয়িং লিংক সহ আরো কিছু সম্পর্ক গুগলের সাথে থাকা দরকার।

তাই এই বিষয়টাকে লক্ষ করে আবেদন করবেন।

 

৬. ইউজার ফ্রেন্ডলী থিম

আবেদন করার পূর্বে এই থিম আছে কিনা সেটি লক্ষ করা দরকার।

আসলে থিম ব্যবহার করা হয় ব্লগের সুন্দর্য বাড়ানোর জন্য।

একটি ব্লগ দেখতে যতটা সুন্দর মনে হবে ঠিক তেমনই অ্যাডসেন্স পেতেও কোনো সমস্যা হবে না।

এজন্য ইউজার থিম ব্যবহার করা দরকার।

তবে আপনি যে থিম ব্যবহার করবেন সেই থিম সম্পর্কে সব তথ্য সমূহ জেনে ব্যবহার করবেন।

কারণ অনেক থিম রয়েছে যেগুলো ভালো সুবিধা দেয় না।

তাই ভালো থিম ব্যবহার করে অ্যাডসেন্স আবেদন করা দরকার।

আমাদের আবেদন করতে হলে এই বিষয়কে গুরুত্ব দিতে হবে।

 

৭. ইউজার ফ্রেন্ডলী কনটেন্ট

আবেদন করার পূর্বে আরো একটি বিষয় লক্ষনীয় সেটি হলো ফ্রেন্ডলী কনটেন্ট।

আপনার ব্লগে এমন সকল পোস্ট করবেন যেটি বিষয় গুগলে কোনো তথ্য নেই।

আথবা সেই পোস্ট সম্পর্কে গুগলে সার্চ সংখ্যা কম।

তাহলে পোস্ট ইনডেক্স হবে দ্রুত এবং অ্যাডসেন্স অপ্রুভল পেতেও অনেক কার্যকারী হবে।

 

কিছু পরামর্শ

উপরের এই কয়েকটি নিয়ম মেনে অ্যাডসেন্স আবেদন করতে পারেন।

যদি এই নিয়গুলো মেনে আবেদন করেন তাহলে অবশ্যই অপ্রুভল পেয়ে যাবেন।

আশা করি প্রতিবেদন থেকে আপনি অনেক জটিল সমস্যার সমাধান পেয়েছেন।

এছাড়াও কোনো বিষয় সম্পর্কে জানার থাকলে কমেন্ট জানিয়ে দিবেন। ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published.