ফেইসবুক এডমিন ডিল এর নিয়ম, চার্জ এবং প্রতারিত হওয়ার কারণ

ফেইসবুক এডমিন ডিল করার নিয়ম, চার্জ কতটুকু এবং প্রতারিত হওয়ার কারণ

ফেইসবুক এডমিন ডিল করার নিয়ম, চার্জ কতটুকু এবং প্রতারিত হওয়ার কারণ

অনলাইনে আয় করার জন্য আমাদেরকে অনেক সময় ব্যক্তিগত লেনদেন এর পাশাপাশি ফেইসবুকের মাধ্যমেও এডমিন ডিল করতে হয়।

অনলাইনে লেনদেন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে বিশ্বস্ত কোন মাধ্যমের সহযোগীতা নিতে হবে।

এখানে আসলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপনার নিজেকে সচেতন হতে হবে।

কারণ নিজে ব্যক্তি হিসেবে সচেতন না হলে অনেক সময় ছোট ছোট লেনদেন করতে করতে একটা সময় বড় লেনদেন করে আটকে যেতে পারেন।

 

সবার আগে নিয়মগেুলো জেনে নেওয়া যাক। 

(ক) আপনি যেই গ্রুপের মাধ্যমে এডমিন ডিল করবেন সেই গ্রুপের মেম্বার হতে হবে।

(খ) গ্রুপের পণ্যই কিনতে হবে বা সেল করতে হবে। গ্রুপের বাইরের কোন পণ্য কিনলে বা সেল করলে হবে না।

(গ) এডমিনদের সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে নিয়মিত।

(ঘ) আপনি বায়ার বা সেলার হলে অবশ্যই তা জানাতে হবে। এবং পজেটিভ কমেন্ট করতে হবে।

(ঙ) ভালো গ্রুপ হলে মেম্বারশিপ কেনা বা সেল করা হয়। তখন আপনি সেই গ্রুপের আলাদা কিছু সুযোগ সুবিধা পেতে পারবেন।

(চ) অবশ্যই আপনাকে এডমিন বা গ্রুপের প্রতি বিশ্বাস রাখতে হবে।

(ছ) এডমিন ডিলের সময় বায়ার হলে অবশ্যই এডমিনকে আগে টাকা দিয়ে দিতে হবে।

(জ) এডমিনের কাছে টাকা জমা দেওয়ার পর আপনি সেলার থেকে জিনিস বা পণ্য বুঝে নিতে পারবেন।

(ঝ) আর যদি আপনি সেলার হোন তাহলে অবশ্যই আপনাকে সেল করা পণ্যটি এডমিনের কাছে টাকা দেওয়ার পরে বায়ারকে বুঝে দিতে হবে।

(ঞ) কোন সমস্যা থাকলে আগেই জানাতে হবে। আর পরে জানালে অনেক সময় এডমিন বিরক্তও হয়ে থাকেন।

(ট) আপনি বায়ার হলে জিনিস বুঝে পাওয়ার পর অবশ্যই এডমিনকে জানাতে হবে এবং তাকে টাকা দিয়ে দিতে বলতে হবে।

(ঠ) আর আপনি সেলার হলে বায়ারের নিয়ম অনুসারে আপনাকে অবশ্যই সবকিছু বুঝে দিতে হবে।

এখন জেনে নেওয়া যাক চার্জ কেমন এডমিন ডিলের 

আসলে চার্জ এর বিষয় অনেক সময় নির্ভর করে টাকার পরিমাণেল উপর।

অনেক সময় অনেক গ্রুপ আছে শতকরা অনুসারে চার্জ নেন আবার অনেক সময় আছে অনেক গ্রুপ একটা নির্দিস্ট টাকার জন্য চার্জ নেন।

যেমন, আমি যেই গ্রুপে ডিল করতাম সেখানে আমি ৫ হাজার টাকার নিচে হলে

৩০ টাকা এবং ৫ হাজার টাকার উপরে হলে ৫০ টাকা চার্জ রাখতাম। এভাবে ডিল করতাম।

আবার অনেক গ্রুপ আছে তারা শতকরা ২% করে রাখে।

সেখানে ১ হাজার টাকায় ২০ টাকা এবং ৫ হাজার টাকায় আসবে ১০০ টাকা।

আবার আমি এমনও দেখেছি তারা ১ হাজার টাকার নিচেরগুলো গুলোকে ৫০ টাকা এবং উপরে গেলে ১০০ টাকা বা বেশি চার্জ রাখে।

প্রতারিত হওয়া করণ স্পর্কে জেন নিন

আসলে এডমিন করতে গেয়ে অনেক মানুষ প্রাতারিত হয়েছে বা হচ্ছে।

প্রতারিত হওয়ার অনেক গুলো কারণ  রয়েছে যা আপনার জানা খুবই জরুলী।

অনেক সময় আমরা এডমিন ডিল করার ঠিকমতো মনোযোগ দেই না ফলে প্রতারক ব্যক্তি কি বলতে চাচ্ছে সেটি বুঝতে চাই না।

তাই সর্বপ্রথমেই আমাদের যেটি করতে হবে সেটি হলো এডমিনকে ভালো করে লক্ষ করতে হবে যে সে কি করতে চায়।

এরপর আপনাকে যেটা করতে হবে সেটা হলো আপনি তার সাথে কথা বলে এটা বুঝুন যে সে আসলেই কি এই বিষয়ে বিশেষঙ্গ কিনা বা দক্ষ কিনা।

এছাড়াও আপনি জানতে পারেন বর্তমানে লেনদেন বিষয়ে মানুষে চাহিদা কেমন তার কাছে।

এসমস্ত বিষয় বিবেচনা করার পর যদি আপনি পজিটিভ দেখেন তাহলে প্রতারিত হওয়ার সম্ভবনা থাকে না।

কিন্তু যদি এগুলো সঠিক ভাবে বিবেচনা না করে আপনি এডমিন ডিল করেন তাহলে প্রতারিত হওয়া সম্ভবনা বেড়ে যাবে অনেক।

তাই সতর্কতার সাথে এডমিন ডিল করুন।

কিছু পরামর্শ

কিছু কিছু মানুষের জন্য অনলাইনের প্রতি মানুষ আস্তা হারিয়ে ফেলে আবার কিছু মানুষের জন্য আস্তা ফিরে পায়।

তবে আপনি সবসময় যদি সতর্ক থাকেন তাহলে এমন সম্ভবনা কখনোই হবে না।

প্রতিবেদন থেকে যদি আপনি কোনো প্রকার সাহায্য পেয়ে থাকেন তাহলে কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন। ধন্যবাদ

2 Comments on “ফেইসবুক এডমিন ডিল এর নিয়ম, চার্জ এবং প্রতারিত হওয়ার কারণ”

Leave a Reply

Your email address will not be published.