বর্তমানে ওয়েবসাইটের জন্য বড় আর্টিকেল লিখার ৫টি সুবিধা জানুন

বর্তমানে ওয়েবসাইটের জন্য বড় আর্টিকেল লিখার ৫টি সুবিধা জানুন

বর্তমানে ওয়েবসাইটের জন্য বড় আর্টিকেল লিখার ৫টি সুবিধা জানুন

ওয়েবসাইটকে যদি এসইও করতে চায় তাহলে কী-ওয়ার্ড রিসার্চ করে লিখা ও অনেক বেশি তথ্য দেওয়ার কোন বিকল্প নেই। বর্তমানে ওয়েবসাইটের জন্য বড় কনটেন্ট লিখলে তা এসইও করতে অনেক সুবিধা হয় বলে এক্সপার্টরা বলে থাকেন।

অনেক মানুষকে দেখা যায় ছোট ছোট আর্টিকেল দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করে।

কিন্তু আপনি কি জানে বড় ওয়েবসাইট আপনার জন্য কি কি সুবিধা দিতে পারে ?

আর্টিকেল যত বড় হবে আপনার ওয়েবসাইটের জন্য সেটি ভালো হবে।

যদিও বড় আর্টিকেল গুলোর চাহিদা কম বা কেউ বড় আর্টিকেল লিখতে চাইনা সময় বেশি লাগে বলে।

কিন্তু বড় আর্টিকেল লেখার অনেক সুবিধা রয়েছে যা আমরা অনেকেই জানি না।

আজকের এই প্রতিবেদনে আমি ওয়েসাইটের জন্য বড় আর্টিকেল লিখার কয়েকটি সুবিধা সম্পর্কে আলোচনা করার চেষ্টা করবো।

যদি বড় আর্টিকেলের সুবিধা সম্পর্কে জানতে চান তাহলে এই প্রতিবেদনটি পুরোটাই মন দিয়ে পরুন।

তাহলে দেরি না করে শুরু করা যাক আজকের প্রতিবেদন।

ওয়েবসাইটের জন্য বড় আর্টিকেল লিখার ৫টি সুবিধা

১. অল্প পোস্টে আবেদন করা যায়

বড় আর্টিকেল লেখার সবচেয়ে প্রথম সুবিধা যেটি সেটি হলো অল্প পোস্টে আবেদন করা যায়।

কারণ ছোট ছোট পোস্ট ৩০টি যে কাজ করবে বড় বড় পোস্ট মাত্র ১০টি তেই সেই কাজ করবে।

আর এজন্যই অল্প পোস্টেই আপনি আবেদন করতে পারবেন।

তাই বড় আর্টিকেল লিখলে আপনি এই সুবিধাটি সবসময় পেয়ে থাকবেন।

অনেক মানুষ বড় আর্টিকেল কয়েকটি লিখেই ওয়েবসাইটের জন্য আবেদন করে এবং অনেক সময় সফলও হওয়া যায়।

যদি আর্টিকেল গুলো ইউনিক হয় অথবা কপিরাইট লেখা না হয়।

অল্প পোস্টে আবেদন করতে হলে আপনি বড় আর্টিকেল লিখে ট্রায় করতে পারেন।

২. পোস্ট গুলো দ্রুত ইনডেক্স হয়

অনেকেই বলে থাকে ওয়েবসাইটের পোস্ট ইন্ডেক্স হয় না। আসলে পোস্ট ইনডেক্স না হওয়া

কারণ হলো ইউনিক আর্টিকেল অথবা বড় আর্টিকেল না লিখা। ওয়েবসাইটে লিখালিখি করলেই যে পোস্ট ইন্ডেক্স হবে সেটা কিন্তু নয়।

ওয়েবসাইটে পোস্ট করর সাথে সাথে এটাও লক্ষ রাখতে হবে যে পোস্টটি কত ওয়ার্ড এর অথবা পোস্টির লেখা কপি রাইট হয়েছে কিনা।

তাহলে দেখবে আপনার ওয়েবসাইটের করা পোস্টটি ইনডেক্স হয়ে যাবে।

এজন্যই বড় আর্টিকেল লেখা ওয়েবসাইটের জন্য খুবই ভালো এবং উপকারী।

আপনি যদি বড় আর্টিকেল লিখেন তাহলে এই সুবিধাটি পেয়ে থাকবেন।

৩. এসইও তে ভালো কার্যকারী

সাধারণত এসইও করতে হলে বড় বড় আর্টিকেল লিখতে হয়।

ছোট আর্টিকেল লিখলে এসইও এর জন্য কন্টেন্ট অতোটা ভালো কিছু করতে পারে না।

কন্টেন্ট লেখার জন্য অবশ্যই কমপক্ষে ৫০০ প্লাস ওয়ার্ড লিখতে হবে। তাহলেই এসইও এর জন্য বড় বড় আর্টিকেল কার্যকারী হবে।

গুগল সার্চ ইনজিনে আপনার ওয়েবসাইটের পোস্টটি সবার উপরে আসবে।

আর সেখান থেকে আপনার ওয়েবইটটি সকলের কাছে পরিচিতি লাভ করতেও পারে।

তাই আপনি বড় আর্টিকেল লিখে এসইও এর সুবিধাটা পুরোই নিতে পারবেন।

>> গুগল অ্যাডসেন্স ছাড়াও অনলাইনে আয় করার ৯টি উপায়

৪. ওয়েবসাইটের মান বাড়ে

আসলে বড় আর্টিকেল লিখলে ওয়েবাসইটের মান বাড়ে অনেক বেশি।

তবে ছোট আর্টিকেল যে ওয়েবসাইটের মান বাড়াতে পারে না তেমনটা কিন্তু নয়।

তবে বড় আর্টিকেল গুলো ওয়েবসাইটের জন্য খুবই কার্যকারী। বড় আর্টিকেল গুলো পড়ার আগ্রহ সকলের কাছে বেশি থাকে।

অনেকেই অনেক তথ্য জানার জণ্য বড় বড় আর্টিকেল খোঁজে।

আসলে বড় আর্টিকেল গুলোতেই অনেক তথ্য পাওয়া যায় বলে অনেকেই বড় আর্টিকেল পড়ে থাকে।

এজন্য আপনার ওয়েবসাইটে যদি বড় আর্টেকেল থাকে তাহলে যারা বড় আর্টিকেল খুজে তাদের কাছে আপনার ওয়েবসাইটের মান বাড়বে।

এজন্য বড় আর্টিখেল লেখার এই সুবিধাটি আপনি সবসময় পেয়ে থাকবেন।

৫. সেরা আর্টিকেল লেখার জন্য উপযোগী

সেরা আর্টিকেল লেখার জন্য বড় আর্টিকেল অনেক উপযোগী। কারণ সবসময় বড় আর্টিকেল গুলোই সেরা।

তবে ছোট আর্টিকেল গুলোই অনেক সময় উপযোগী হয়।

ছোট আর্টিকেল গুলো সাধারণ ব্লাগর ওয়েবাসইটের জন্য ভালো কিন্তু এসইও তে এটি অতো ভালো উপযোগী নায়।

এসইও এর জন্য বড় আর্টিকেল সেরা। তাই আপনার ওয়েবসাইটকে যদি সেরাতে পরিণত করতে চান তাহলে বড় আর্টিকেল লেখা শুরু করুন।

এছাড়াও ওয়েবসাইট রান করার জন্য আমাদেরকে অবশ্যই DA (Domain Authority) এবং PA (page Authority) এর প্রতি নজর দিতে হবে।

আসলে এগুলোর প্রতি যদি আমরা একটউ নজ দেই বা এগুলোতে সময় দেই তাহলে আমাদের আয়ের

পরিমাণটার বাড়ার পাশাপাশি আমাদের সাইটের র‌্যাংকও অনেক বৃদ্ধি পাবে আশা করি।

অনেক এসইও এক্সপার্ট মনে করেন যে,

বাংলা কনটেন্ট এও এক সময় সিপিসি বেড়ে যাবে আর তখন আমাদের দেশ ও

ভারতীয় উপমহাদেশে প্রায় ২ কোটির মত জনসংখ্যা থেকেও অনেক ভালো আয় করা সম্ভব হবে।

একটা সাইটে যদি বেশ কিছু কনটেন্ট দেওয়া হয় আর সেগুলো যদি ঠিক মত রিসার্চ করা হয় তাহলে অটোমেটিক্যালি

একটা সময় অনেক ভালো র‌্যাংক করবে ওয়েভসাইট। আসলে একটা ডোমেইনের বয়স যদি ১ বছর না হয় তাহলে এসব কিছু বোঝা যায় না।

শেষ কথা

বড় আটিকেল লেখার আরো অনেক সুবিধা রয়েছে তবে তার মধ্যে এই কয়েকটি সুবিধা নিয়ো আলোচনা করা হয়েছে।

সময় হলে আবারো এই বিষয়ে লিখতে বসবো। প্রতিবেদনটি আপনার কোনো উপকারে আসলে অবশ্যই আমাদের জানাবেন। ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published.